আর্জেন্টিনা ও ইকুয়েডর এর ম্যাচটি পাতানো ছিলো বলে সন্দেহ করছেন অনেকেই।

আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্ব মিডিয়ার ‘টপ নিউজ’ হওয়ার সুযোগ ছিল ইকুয়েডরের। তারা পারেনি। কিটোর ওই ম্যাচে স্বাগতিকরা আলবিসেলেস্তেদের মুখোমুখি হওয়ার আগে নিজেদের ঘর নিয়েই ছিল ঝামেলায়।আর এই ঝামেলাকে অনেকেই ইচ্ছাকৃত ভেবে ম্যাচটি পাতানো বলে সন্দেহ করছেন।

ম্যাচের আগের রাতে হোটেল ছেড়ে পাঁচ খেলোয়াড় বাইরে যাওয়ায় শৃংখলা ভঙ্গের দায়ে তাদের বরখাস্ত করেছিল ইকুয়েডর ফুটবল ফেডারেশন। সংস্থাটি এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে খবরটি। ইকুয়েডরের একাদশ দেখে চোখ কপালে ওঠারই কথা। বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন শেষ হয়ে গিয়েছিল তাদের আগেই। তাই বলে আর্জেন্টিনাকে আটকে দেয়ার কোনো চেষ্টাই করবে না তারা?

‘আনকোরা’ সব খেলোয়াড়কে নিয়ে সাজানো একাদশ দেখে প্রশ্নটা ম্যাচ শুরুর আগে উঠলেও সেটা হাওয়ায় মিলিয়ে যায় মাত্র ৪০ সেকেন্ডে স্বাগতিকরা এগিয়ে গেলে। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ৩-১ গোলে হারলেও ইকুয়েডরের পারফরম্যান্স ছিল অসাধারণ। তবে দু’বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের বাইরে রেখে কোচ হোর্হে সেসিসোর দল সাজানো নিয়ে খটকা থেকেই গিয়েছিল।

পাঁচ খেলোয়াড়কে বরখাস্ত করার খবরে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে কেন ‘অনভিজ্ঞ’ একাদশ নামিয়েছিলেন ইকুয়েডরের কোচ। ম্যাচের আগের রাতে ‘চুপি চুপি’ হোটেল ছেড়ে বাইরে গিয়েছিলেন ইকুয়েডরের পাঁচ খেলোয়াড়।

ইকুয়েডর তাদের নাম গোপন রাখলেও নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা ম্যাচের আগে বরখাস্ত করা হয়েছিল তাদের।

সংস্থাটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘(কোচ) হোর্হে সেসিসো আমাদের কাছে রিপোর্ট করেন। সবকিছু বিচার-বিশ্লেষণ করে কমিটি সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেয় পাঁচ খেলোয়াড়কে বরখাস্ত করার।’

কোচ, খেলোয়ার ও ফেডারেশন এর সবাই এই পাতানো ম্যাচ এর সাথে জড়িত কিনা তা খতিয়ে দেখার দাবি তুলেছে অনেকেই।মেসিকে আটকানোর কোনো চেস্টা না করাতে ও এই সন্দেহ আরো ঘনীভূত হচ্ছে।

Advertisements