‘লাভেলো মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০১৭’ নির্বাচিত হন জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল। উপস্থাপিকা শিনা চৌহান প্রথমে জান্নাতুর সুমাইয়া হিমিকে বিজয়ী ঘোষণা করলেও পরে আয়োজকদের পক্ষ থেকে একজন এসে এভ্রিলকে বিজয়ী এবং প্রথম রানার আপ হিসেবে জেসিয়া ইসলাম ও হিমিকে দ্বিতীয় রানার আপ ঘোষণা করেন। এর পরপরই বিচারক শম্পা রেজা জানান, বিচারকদের রায়ে বিজয়ী জেসিয়া অন্যদিকে এভ্রিল প্রথম তিনজনের তালিকাতেই ছিলেন না। এটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বির্তক তুঙ্গে ওঠে।

এরপর সালমান তার ফেসবুক পেজে বলেন, আয়োজকরা জেসিয়া এবং হিমি দুইজনের সঙ্গেই উদ্দেশ্যপ্রণদিতভাবে অন্যায় করেছে এবং আইন লঙ্ঘন করেছে। তারা চাইলে চুক্তিপত্র বাতিল করে আয়োজক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে পারেন। কারণ মিস ওয়ার্ল্ডের নামে জাতীয় টেলিভিশনে একটি নোংরা খেলা হয়েছে এবং ২০ জন তরুণীর স্বপ্ন ও বিশ্বাস ভেঙ্গে তাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে।

সোমবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনা নিয়ে সময় টিভির প্রশ্নের উত্তরে মিস ওয়ার্ল্ডের আয়োজক অন্তর শোবিজ এর কর্নধার স্বপন চৌধুরি বলেন, হ্যাঁ, আমিও দেখছি, অনেক কথা হচ্ছে। ইউটিউবে দেখলাম, সালমান মুক্তাদীর নামের একটা ছেলে, সে বলছে ‘কপি-পেস্ট’-এর কারণে এসব হচ্ছে। আমি বলবো, ‘কপি-পেস্ট’ করার কারণে এমনটা হয়নি, এটা স্রেফ একটা ভুল। এই সালমান মুক্তাদীর কয়দিন হলো ইন্ডাস্ট্রিতে এসেছে? আমি এই ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছি আজ ৩২ বছর হলো। পঁচিশ বছর ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টে, এর আগে গান-বাজনা করতাম। কোথাকার কোন ফকিন্নির পুত, আমাকে নিয়ে, আমার প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে যা খুশি তাই বললেই হলো?

এই সময় স্বপন চৌধুরি আরো বলেন এই সমালোচনা বন্ধ করতে আমরা মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলন ডেকেছি। সেখানে ছয় বিচারক ও দশ প্রতিযোগি উপস্থিত থাকবেন। ওই সম্মেলনে সব কিছুর ইতি টানা হবে।

Advertisements